মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে আরো অস্ত্রের দাবি জানালেন জেলেনস্কি

 জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত ৫৩তম নিরাপত্তা সম্মেলনে ইউক্রেনের জন্য সামরিক সহায়তা ত্বরাম্বিত করতে তাগাদা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এই সম্মেলনে রাশিয়াকে নিমন্ত্রণ করা হয়নি। ভিডিও লিংকের মাধ্যমে দেওয়া ভাষণে জেলেনস্কি শুক্রবার সম্মেলনকে বলেন, ‘দ্রুততার কোনো বিকল্প নেই, কারণ এই দ্রুততার উপর নির্ভর করছে মানুষের জীবন।’

জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহের গতি না বাড়ালে যুদ্ধ রাশিয়ার পক্ষে চলে যাবে। সে কারণে ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ জোরদার করার কোনো বিকল্প নেই।

শুক্রবার মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন শুরু হয়েছে এবং রোববার সম্মেলন শেষ হবে। এতে বিশ্বের ৪০টি দেশ অংশ নিচ্ছে। গত ২ দশকের মধ্যে এই প্রথম রাশিয়াকে মিউনিখ সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

জেলেনস্কি দাবি করেন, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে প্রেসিডেন্ট পুতিন হামলা চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছেন। এক্ষেত্রে অস্ত্র দিতে দেরি হলে পুতিনের অভিযান ইউক্রেনের সীমানা পেরিয়ে অন্য দেশে গড়াবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, দেরি সব সময় ভুল হিসেবে গণ্য হয় এবং ইউক্রেনে ভুল করলে তার জন্য পশ্চিমাদেরকেও মূল্য দিতে হবে। জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়া ইউক্রেনের প্রতিবেশী মলদোভার গলা টিপে ধরার চেষ্টা করছে।

জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ স্কলজ মিত্রদের কাছে যত দ্রুত সম্ভব ইউক্রেনকে লিওপার্ড ট্যাংক সরবরাহ করার আহবান জানান। মিত্রদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘যারাই যুদ্ধ ট্যাংক সরবরাহ করতে পারবেন তারা যেন সময় ক্ষেপন না করে ট্যাংক পাঠিয়ে দেন।’ তিনি মিত্রদের এই বিষয়ে উদ্যোগী হওয়ার আহবান জানান।

এবারের মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ভাইস প্রেসিডেন্ট কামালা হ্যারিস, পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি যোগ দিয়েছেন। সম্মেলনে ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ করার বিষয়টিই শীর্ষ এজেন্ডা হিসেবে রয়েছে।

এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads