ইউক্রেনে রুশ অভিযানের এক বছর পূর্তি, এরপর!
এই অভিযানে ইউক্রেন ও রাশিয়ার হাজার হাজার সেনাবাহিনী, বেসামরিক লোকজন নিহত হয়েছে। ধ্বংস্তুপে পরিণত হয়েছে বাড়িঘর। মৃতদেহ ও বারুদের গন্ধে পূর্ব ইউক্রেনের নানা অঞ্চল। এই অভিযানকে কেন্দ্র করে মস্কো ও পশ্চিমাদের মধ্যে উত্তেজনা সবচেয়ে উচ্চ পর্যায়ে চলে গেছে।
মঙ্গলবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেন আক্রমণের পক্ষে মতামত তুলে ধরেন। সেই সময়টাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ছিলেন পোল্যান্ড। সেখানে বসেই তিনি ইউক্রেনের প্রতি অকুন্ঠ সমর্থন ব্যক্ত করেন।
ইতোমধ্যে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি খেরসনে রুশ হামলার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। পুতিন যখন জাতির উদ্দেশ্যে অগ্নিগর্ভ ভাষণ দিচ্ছিলেন তখন খেরসনে এই হামলা চালানো হয়। এই হামলায় ছয়জন নিহত হয়েছেন। ছবিতে দেখা যায় এক নারীর মৃতদেহ পড়ে আছে পাকা রাস্তার পাশে।
শুক্রবার ইউক্রেনে রুশ হামলার এক বছর পূর্তি উদযাপন করা হবে। এই যুদ্ধ নিয়ে বিশ্ব আতঙ্কিত হলেও শান্তি স্থাপিত হওয়ার কোনো আলামত দেখা যাচ্ছে না। যুদ্ধ এখন কোনদিকে যাচ্ছে?
জার্মানির ব্রেমেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক নিকোলে মিত্রখিন বলেছেন, ‘মূল কথা হলো - এই যুদ্ধে কোনো পক্ষই লাভবান হবে না। দনবাজ দখল করতে রাশিয়াকে যথেষ্ট বেগ পেতে হবে। এছাড়া শুধু জাতি হিসেবে ইউক্রেনকে ধ্বংসই করা হবে। ইউক্রেন কখনোই আর জানুয়ারি ২০১৪ সালের সীমান্ত ফিরে পাবে না। রাশিয়া ক্রিমিয়ার দখল এর পরেই এবং দনবাজের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সমর্থন দেয়।’
তিনি বলেন, ‘২০২৩ সালের শেষ দিকে বা ২০২৪ সালে যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবে। কারণ দুই দেশের সম্পদ ফুরিয়ে আসছে। লক্ষ্য অর্জনের জন্য ইউক্রেন ও রাশিয়ার যথেষ্ট পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ এবং লোকবল নেই।’
এনবিএস/ওডে/সি